রাউজানে উদ্বেগজন হারে বেড়ে গেছে মোটরসাইকেল একদিনে চুরি হয়েছে পৃথক স্থান থেকে দুটি

চট্টল সময় ডেক্স .

রাউজান থেকে মোটরসাইকেল (বাইক) চুরির ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়ে গেছে। বেপরোয়া হয়ে উঠা চোরটি গত ৪ জুলাই শনিবার সন্ধ্যা ও রাতে পৃথক পৃথক দুটি স্থান থেকে দুটি মোটরসাইকেল নিয়ে গেছে। এদিন সন্ধ্যার আগে একটি বাইক নিয়ে যায় কদলপুর ইউনিয়নের তাজ মোহাম্মদ চৌধুরী বাড়ি থেকে। আপরটি নিয়ে যায় হলদিয়া ইউনিয়ন থেকে। কদলপুর থেকে নিয়ে যাওয়া বাইকের মালিক আরিফ তালুকদার বলেছেন সন্ধ্যার আগে আমি আমার নীল রং এর গ্লেমার বাইকটি নিয়ে তাজ মোহাম্মদ চৌধুরীর বোনের বাড়িতে যাই। গেইটের বাইরে তালা দিয়ে গাড়ি রেখে ভিতরে প্রবেশ করি।

 

পাঁচ মিনিট পর এসে দেখি বাইকটি নিয়ে গেছে। একই রাতে হলদিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা রাউজান প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সাংবাদিক বেলাল উদ্দিনের বাইকটি চুরি হয়। তখন বাইকটি রেখে তিনি একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যায়। তিনি এসে দেখেন তার বাইকটি চুরি করে নিয়ে গেছে। চুরিতে যাওয়া গ্লেমার বাইকটি রাউজান প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি দৈনিক আজাদী পত্রিকার প্রতিনিধি মীর আসলামের জামাতার। ক্ষতিগ্রস্ত দুইজন রাউজান থানায় ঘটনা জানিয়ে অভিযোগ দিয়েছে। বিশ্বজিৎ দে নামের অপর একজন জানিয়েছে তার বাইকটি চুরি হয়েছে ৩ জুন।

এলাকার জনসাধারণ ও চুরিতে ক্ষতিগ্রস্ত বাইকের মালিকদের সাথে কথা বলে জানা যায় রাউজান,ফটিকছড়ি ও হাটহাজারীর এলাকা নিয়ে গড়ে উঠেছে একটি সংঘবদ্ধ চোর চক্র। এলাকার জনসাধারণের সাথে কথা বলে জানা যায় এই চক্রের সদস্যরা তাদের টার্গেট করা বাইকের গতিবিধি নজরদারির মধ্যে রাখে। মালিক বাইক রেখে অন্যকোনো কাজে মনোযোগি হতেই সুযোগ বুঝে বাইক নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। উপজেলার বিভিন্নস্থানের জনসাধারণ সূত্রে জানা যায় রাউজানে মোটরবাইক চুরির পাশাপাশি বিভিন্নস্থান থেকে চুরি হচ্ছে সিএনজি অটোরিক্সাও। এবিষয়ে জানতে চাইলে রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন শনিবারের চুরির ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশ ঘটনা তদন্তে নেমেছে। চোর চক্রটিকে চিহ্নীত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। #

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on linkedin
LinkedIn
Share on email
Email

সম্পর্কিত