
মীর আসলাম. চট্টল সময় ঃ
চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি সড়ক পথে রাউজানের পূর্ব সীমানায় দৃষ্টিনন্দন রাবার বাগান। পাহাড়-সমতলের সেতুবন্ধন এই এলাকাটির নাম ঢালার মুখ। এখানে বিশাল এলাকা জুড়ে রয়েছে রাবার বাগান। বাগানের বুক ছিড়ে রাঙ্গামাটির দিকে আঁকা বাকা হয়ে চলে গেছে চার লেইন রাঙ্গামাটি সড়ক।
কয়েক বছর আগে এখানে ছিল গ্রীরিছায়া নামের একটি রেস্তোরাঁ। সাথে ছিল একটি মিনি চিড়িয়াখানা। এগুলো পরিচালনা করতেন রাউজান পৌরসভার মেয়র জমির উদ্দিন পারভেজ। আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে রাঙ্গামাটিতে আসা যাওয়ায় থাকা ভিআইপি শ্রেণির ব্যক্তিবর্গ এই রেঁস্তোরায় বসে বিশ্রাম নিতেন। দেখতেন প্রকৃতিক সৌন্দর্য। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পিপাসু আশেপাশের মানুষের এখানে আসতেন দল বেঁধে। মূলত এই এলাকাটি গড়ে উঠেছিল
পর্যটন কেন্দ্র হিসাব। এখন এই এলাকায় জনকোলাহল নেই। অনুপম সৌন্দর্যের ঢালার মুখ এখন নির্ঝন এলাকা। অবশ্য বিকালের দিকে পাশে থাকা একটি মাদরাসার শিক্ষক শিক্ষার্থীদের এখানে বসে সময় কাটায়।
এলাকার জনসাধারণ জানিয়েছে গত ২৪ সালের ছাত্র জনতার আন্দোলনে রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হলে গ্রীরিছায়া বন্ধ হয়ে যায়। যারা পরিচালনায় ছিলেন তারাও এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। এরপর থেকে এখানে নেমে আসে নিস্তবদ্ধতা। পরিদর্শনে দেখা যায় এই এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সাথে আরো আকর্ষনীয় করে তোলা হয়েছে নেদারল্যান্ডের অর্থায়নে একটি উন্নয়নে। আঁকাবাকা হয়ে রাঙ্গামাটির দিকে বয়ে যাওয়া চার লেইন সড়ক পথটি তৈরী করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন করে। প্রকৃতির অপরূপ সাজের সাথে উন্নয়ন সাজে এখন ঢালামুখ সেজেছে নতুন মাত্রায়।
এখানে এখন মুক্ত পাখিকুলের কুঞ্জন, বন্য বানরের লাফালাফির সাথে দৃশ্য দেখে এই পথে যাত্রী ও সাধারণ মানুষের মনে শিহরণ জাগায়। রাউজান পৌর কর্তৃপক্ষ অথবা কোনো উদ্যোক্তা এগিয়ে এলে এই এলাকাটি হতে পারে একটি নতুন আকর্ষনীয় পর্যটন কেন্দ্র।





